• الصفحة الرئيسيةخريطة الموقعRSS
  • الصفحة الرئيسية
  • سجل الزوار
  • وثيقة الموقع
  • اتصل بنا
English Alukah شبكة الألوكة شبكة إسلامية وفكرية وثقافية شاملة تحت إشراف الدكتور سعد بن عبد الله الحميد
الدكتور سعد بن عبد الله الحميد  إشراف  الدكتور خالد بن عبد الرحمن الجريسي
  • الصفحة الرئيسية
  • موقع آفاق الشريعة
  • موقع ثقافة ومعرفة
  • موقع مجتمع وإصلاح
  • موقع حضارة الكلمة
  • موقع الاستشارات
  • موقع المسلمون في العالم
  • موقع المواقع الشخصية
  • موقع مكتبة الألوكة
  • موقع المكتبة الناطقة
  • موقع الإصدارات والمسابقات
  • موقع المترجمات
 كل الأقسام | مقالات شرعية   دراسات شرعية   نوازل وشبهات   منبر الجمعة   روافد   من ثمرات المواقع  
اضغط على زر آخر الإضافات لغلق أو فتح النافذة اضغط على زر آخر الإضافات لغلق أو فتح النافذة
  •  
    الاختلاف لا يفسد للود قضية: مقالة لرصد أدب الحوار ...
    محمد بن سالم بن علي جابر
  •  
    خطبة: مشروعك في رمضان
    مجاهد أحمد قايد دومه
  •  
    خطبة: نعمة الأمن في الأوطان
    د. محمد بن مجدوع الشهري
  •  
    خطبة: ليلة السابع والعشرين من رمضان
    د. أيمن منصور أيوب علي بيفاري
  •  
    حكم العمل بالحساب في دخول شهر رمضان وخروجه
    أ. د. عبدالله بن محمد الطيار
  •  
    تفسير قوله تعالى: {لا تجد قوما يؤمنون بالله ...
    د. عبدالفتاح بن صالح الرصابي القعطبي
  •  
    صلاة الجماعة
    السيد مراد سلامة
  •  
    رؤية بلد مكة مقدمة على غيرها
    أ. د. عبدالله بن محمد الطيار
  •  
    خروج المعتكف من معتكفه
    د. عبدالرحمن أبو موسى
  •  
    العشر الأواخر (خطبة)
    ساير بن هليل المسباح
  •  
    رمضان شهر النصر والفرقان (خطبة)
    الشيخ عبدالله محمد الطوالة
  •  
    رمضان مدرسة الإحسـان (خطبة)
    أحمد عبدالله صالح
  •  
    تفسير قوله تعالى: {اعلموا أنما الحياة الدنيا لعب ...
    د. عبدالفتاح بن صالح الرصابي القعطبي
  •  
    غزوة بدر.. أمل في زمن الانكسار (خطبة)
    د. عبدالرزاق السيد
  •  
    تذكير الصائم إذا أكل أو شرب ناسيا
    د. فهد بن ابراهيم الجمعة
  •  
    قضاء الحوائج
    مالك مسعد الفرح
شبكة الألوكة / آفاق الشريعة / منبر الجمعة / الخطب / خطب بلغات أجنبية
علامة باركود

التعبد بترك الحرام واستبشاعه (خطبة) – باللغة البنغالية

التعبد بترك الحرام واستبشاعه (خطبة) – باللغة البنغالية
حسام بن عبدالعزيز الجبرين

مقالات متعلقة

تاريخ الإضافة: 9/11/2025 ميلادي - 18/5/1447 هجري

الزيارات: 1774

حفظ بصيغة PDFنسخة ملائمة للطباعةأرسل إلى صديقتعليقات الزوارأضف تعليقكمتابعة التعليقات
النص الكامل  تكبير الخط الحجم الأصلي تصغير الخط
شارك وانشر

খুতবার বিষয়ঃ হারাসমূহ বর্জন করে এবং অন্তরে তা ঘৃণা করার মাধ্যমে আল্লাহর ইবাদত ও তাঁর নৈকট্য অর্জন করা

প্রথম খুৎবা

 

الحمد لله الكافي الحسيب، الحفيظ الرقيب، المجيب القريب، وأشهد ألا إله إلا الله وحده لا شريك له العظيم الكبير، السميع البصير، الطيّب القدير.

صَرَفْتُ إلى رَبِّ الأنام مَطَالِبي
وَوَجَّهْتُ وَجِهي نَحْوَهُ وَمَآربي
إلَى الصَّمَد البَرَّ الذي فَاضَ جُوْدُهُ
وعَمَّ الوَرَى طُرًا بجَزْلِ المَوَاهِبِ
مُقِيْليْ إذَا زَلَّتْ بِيَ النَّعْلُ عَاثِرًا
وأسْمَحَ غَفَّارٍ وأكْرمَ وَاهِبِ
فَمَا زَالَ يُوْلِيْني الجَميْل تَلَطُّفًا
ويَدْفَعُ عَنِّي في صُدُورِ النَّوائِبِ
ويَرْزُقُني طِفْلاً وكَهْلاً وقَبْلَهَا
جَنْينًا ويَحْمِيْني وَبيَ المكَاسِبِ

 

 

وأشهد أن محمدا عبده ورسوله، كريم الطباع، قليل المتاع.

بُعثتَ ياسيدي بالحقِّ والقيمِ
ورحمة لجميع الخلق والأُممِ
أثنى وصلّى عليك اللهُ خالِقُنا
في سورَةِ الفتح والأحزاب والقَلمِ

 

আমি আপনাকে এবং নিজেকে আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করার অসিয়ত করছি, কারণ তাকওয়াই দুনিয়া ও আখিরাতে মুক্তির মাধ্যমঃ

﴿ لِلَّذِينَ أَحْسَنُوا فِي هَذِهِ الدُّنْيَا حَسَنَةٌ وَلَدَارُ الْآخِرَةِ خَيْرٌ وَلَنِعْمَ دَارُ الْمُتَّقِينَ ﴾ [النحل: 30].

অনুবাদঃ যারা সৎকাজ করে তাদের জন্য আছে এ দুনিয়ায় মঙ্গল এবং আখিরাতের আবাস আরো উৎকৃষ্ট। আর মুত্তাকীদের আবাসস্থল কত উত্তম !

 

বিশ্বস্ত ভাইয়েরা! পবিত্র কুরআনে অনেক জায়গায় তাকওয়ার কথা বলা হয়েছে, কখনো আদেশ করা হয়েছে, কখনো এর ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে, আবার কখনো মুত্তাকীদের প্রশংসা করা হয়েছে।

 

তাকওয়ার বাস্তবতা হলো: আল্লাহর হুকুম পালন করা এবং অবাধ্যতা থেকে বেঁচে থাকা।

 

একজন বান্দা মহান আল্লাহর ইবাদত করে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল যা আদেশ করেছেন এবং যা তিনি নিষেধ করেছেন তা থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে, বিশেষ করে যখন পাপের কারণগুলি পূর্ণ শক্তির সাথে বিদ্যমান থাকে।

 

এই কাজে যা আমাদের সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে তা হল: সেই দলীলগুলির বোধ ও চেতনাকে জীবিত রাখা যাতে পাপের কদর্যতা বর্ণনা করা হয়েছে যাতে এর নিন্দা আমাদের অন্তরে থাকে এবং আমরা পাপ থেকে বিরত থাকি এবং আল্লাহর আদেশ পালন করতে পারি। এটি আল্লাহর হিকমত ও রহমতের একটি দৃশ্য। আসুন আমরা কয়েকটি উদাহরণ বিবেচনা করি।

 

সাধারণ ও বড় গুনাহের মধ্যে একটি গুনাহ হচ্ছে গীবত! এর সাথে সম্পর্কে অনেক দলীল রয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর দলীল হল সেটি যেখানে আল্লাহ তায়ালা গীবতকারীকে এমন ব্যক্তি হিসাবে বর্ণনা করেছেন যে তার মৃত ভাইয়ের গোশত খায়।

﴿ وَلَا يَغْتَبْ بَعْضُكُمْ بَعْضًا أَيُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَنْ يَأْكُلَ لَحْمَ أَخِيهِ مَيْتًا فَكَرِهْتُمُوهُ ﴾[الحجرات: 12].

 

অনুবাদঃ একে অন্যের গীবত করো না । তোমাদের মধ্যে কি কেউ তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে চাইবে ? বস্তুত তোমরা তো একে ঘৃণ্যই মনে কর।

 

যে সময়ে আমরা গীবত করি বা গীবত করার ইচ্ছা করি, সেই সময়ে যদি আমরা এই ভয়ানক দৃশ্যটি আমাদের মনে নিয়ে আসি, এই দৃশ্যটি আমাদের গীবত করা থেকে বিরত রাখতে একটি বড় প্রেরণা হবে! এটা আমাদের আন্তরিকভাবে তাওবাহ করার এবং আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন নতুন করার জন্য সহায়ক হবে।

 

এ যুগে গীবত বেড়ে গেছে, কারণ কথা বলার ও লেখার মাধ্যম বহু ও বৈচিত্র্যময়, হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মি‘রাজের রাতে আমি এমন এক কওমের পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলাম যাদের নখগুলো তামার তৈরী এবং তা দিয়ে তারা অনবরত তাদের মুখমন্ডলে ও বুকে আচড় মারছে। আমি বললাম, হে জিবরীল! এরা কারা? তিনি বললেন, এরা সেসব লোক যারা মানুষের গোশত খেতো (গীবত করতো) এবং তাদের মানসম্মানে আঘাত হানতো। ( আবু দাউদ) আলবানী এটিকে সহীহ বলেছেন)।

 

বিশ্বস্ত ভাইয়েরা! এই যুগের মুসিবতের মধ্যে মাদকও অন্তর্ভুক্ত, সহীহ মুসলিমে একটি হাদিস আছে: "প্রত্যেক নেশাদ্রব্য মদের মত"। দেখা যাচ্ছে যে সমস্ত নতুন ধরণের নেশাদ্রব্য মদের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদেরকে এ থেকে রক্ষা করুন।

 

সহীহ মুসলিমে জাবির (রহঃ) হতে বর্ণিত। ‘জাইশান’ থেকে জনৈক লোক আসলো। জাইশান ইয়ামানের একটি অঞ্চল। অতঃপর সে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তাদের অঞ্চলে তারা শস্য দিয়ে প্রস্তুত 'মিয্‌র' নামক যে মদ পান করে সে সম্পর্কে প্রশ্ন করলো। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এটা কি নেশা তৈরি করে? সে বলল, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ নেশা উদ্রেক করে এমন সবই নিষিদ্ধ। আল্লাহ তা'আলা ওয়াদা করেছেন, যে লোক নেশাযুক্ত জিনিস পান করবে তাকে তিনি “তীনাতুল খাবাল” পান করিয়ে ছাড়বেন। মানুষেরা বলল, হে আল্লাহর রসূল! তীনাতুল খাবাল কি? তিনি বললেন, জাহান্নামবাসীদের ঘাম বা জাহান্নামবাসীদের মলমূত্র।

 

একজন মাদক সেবনকারী, অথবা মাদক সেবন করার ইচ্ছা রাখে এমন ব্যক্তি, যদি মনে মনে ভাবে যে এগুলো জাহান্নামীদেরর ঘাম অথবা তাদের চামড়া থেকে বের হওয়া পুঁজ, যদি সে এটি মনে রাখে তবে এটি তাকে মাদক সেবন করা থেকে তাওবাহ করতে অনু প্ররোচিত করবে।

 

আর এই দুশ্চিন্তা তাকে অনুতপ্ত করবে যতবার সে মাদকের দিকে ঝুঁকবে।

 

যে ব্যক্তি মদ পান থেকে নিরাপদ, যখন সে এটি কল্পনা করবে, তখন মদ থেকে তার দূরত্ব বাড়বে। এর শাস্তির তীব্রতা দেখুন যে কেমন জোর দিয়ে বলা হয়েছে,

 

আল্লাহ তা'আলা ওয়াদা করেছেন, যে লোক নেশাযুক্ত জিনিস পান করবে তাকে....

 

আলেমগণ বলেনঃ এই ​​ওয়াদা সেই ব্যক্তির জন্য যে মদ্যপানে আসক্ত অবস্থায় মারা যায় এবং তওবা করেনি।

 

হে ঈমানদারগণ! নামায ইসলামের স্তম্ভ, বান্দাকে সর্বপ্রথম এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে, এটি পালন করার ফলে যে ভালো জিনিস পাওয়া যায় তা অনেক, এবং যে এটি নষ্ট করে তার ব্যাপারে কঠোর ওয়াদা রয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্বপ্নের হাদীসে বর্ণনা করেছেনঃ

(গত রাতে আমার কাছে দু’জন আগন্তুক আসল। তারা আমাকে উঠাল। আর আমাকে বলল, চলুন। আমি তাদের সঙ্গে চললাম। আমরা কাত হয়ে শুয়ে থাকা এক লোকের কাছে আসলাম। দেখলাম, অন্য এক লোক তার নিকট পাথর নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। সে তার মাথায় পাথর নিক্ষেপ করছে। ফলে তার মাথা ফেটে যাচ্ছে। আর পাথর নিচে গিয়ে পড়ছে। এরপর আবার সে পাথরটি অনুসরণ করে তা আবার নিয়ে আসছে। ফিরে আসতে না আসতেই লোকটির মাথা আগের মত আবার ভাল হয়ে যায়। ফিরে এসে আবার তেমনি আচরণ করে, যা পূর্বে প্রথমবার করেছিল। তিনি বলেন, আমি তাদের (সাথীদ্বয়কে) বললাম, সুবহান্নাল্লাহ্! এরা কারা?.... (বুখারী) নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলা হয় যে,

 

যার মাথা পাথর দিয়ে চূর্ণ-বিচূর্ণ করা হচ্ছিল, সে হল ঐ ব্যক্তি যে কুরআন গ্রহণ করে তা ছেড়ে দিয়েছে। আর ফরজ সালাত ছেড়ে ঘুমিয়ে থাকে।

 

একজন গাফিল ব্যক্তি যদি এই প্রতিশ্রুতি মনে রাখে, তবে সে নামাযের প্রতি গাফিলতি করবে না! কেন না, বিলম্ব করে নামায পড়ার কারণে যখন এত কঠোর শাস্তির কথা বলা হয়েছেঃ

﴿ فَوَيْلٌ لِلْمُصَلِّينَ * الَّذِينَ هُمْ عَنْ صَلَاتِهِمْ سَاهُونَ ﴾ [الماعون: 4، 5].

 

অনুবাদ: কাজেই দুর্ভোগ সে সালাত আদায়কারীদের, যারা তাদের সালাত সম্বন্ধে উদাসীন।

 

আল্লাহর বান্দারা! যে ব্যক্তি আমানতের খেয়ানত করে এতিমের সম্পদ খায় সে কি বুঝতে পারে যে সে তার পেটে আগুন খাচ্ছে?

﴿ إِنَّ الَّذِينَ يَأْكُلُونَ أَمْوَالَ الْيَتَامَى ظُلْمًا إِنَّمَا يَأْكُلُونَ فِي بُطُونِهِمْ نَارًا وَسَيَصْلَوْنَ سَعِيرًا ﴾ [النساء: 10].

 

অনুবাদঃ নিশ্চয় যারা ইয়াতীমদের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করে তারা তো তাদের পেটে আগুনই খাচ্ছে; তারা অচিরেই জ্বলন্ত আগুনে জ্বলবে ।

 

এই অনুভূতি আমানত বৃদ্ধি করে এবং বিশ্বাসঘাতককে তাওবাহ করতে প্ররোচিত করে!

 

দ্বিতীয় খুতবাহ

الحمد لله القائل ﴿ وَمَنْ يُعَظِّمْ حُرُمَاتِ اللَّهِ فَهُوَ خَيْرٌ لَهُ عِنْدَ رَبِّهِ ﴾ [الحج: 30] وصلى الله وسلم على البشير النذير وعلى آله وصحبه.

 

মুমিনদেরকে আল্লাহর আনুগত্য ও তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনে উৎসাহিত করার জন্য এবং সীমালংঘন ও আল্লাহর অসন্তুষ্টি থেকে দূরে থাকার জন্য শরীয়তে উৎসাহ ও নিষেধ সম্বলিত বিভিন্ন দলীল রয়েছে।

 

ইসলামী ভাইয়েরা! যাকাত ইসলামের তৃতীয় স্তম্ভ, এটি কুরআনের 80 টিরও বেশি জায়গায় নামাজের সাথে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি প্রদান করা একটি মহান ইবাদত অথচ প্রদান না করা একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক কাজ। হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছেঃযাকে আল্লাহ সম্পদ দান করেছেন, কিন্তু সে এর যাকাত আদায় করেনি, কিয়ামতের দিন তার সম্পদকে টেকো (বিষের তীব্রতার কারণে) মাথা বিশিষ্ট বিষধর সাপের আকৃতি দান করে তার গলায় ঝুলিয়ে দেয়া হবে। সাপটি তার মুখের দু’পার্শ্ব কামড়ে ধরে বলবে, আমি তোমার সম্পদ, আমি তোমার জমাকৃত মাল। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিলাওয়াত করেন :

 

﴿ وَلَا يَحْسَبَنَّ الَّذِينَ يَبْخَلُونَ بِمَا آَتَاهُمُ اللَّهُ مِنْ فَضْلِهِ هُوَ خَيْرًا لَهُمْ بَلْ هُوَ شَرٌّ لَهُمْ سَيُطَوَّقُونَ مَا بَخِلُوا بِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ﴾ [آل عمران: 180].


যে ব্যক্তি যাকাত দেয় না সে যদি কল্পনা করে যে তার সম্পদ একটি অত্যন্ত বিষাক্ত সাপের আকারে তার গলায় জড়িয়ে থাকবে হবে, তবে আপনি কল্পনা করুন এটি তার চেহারার ডান এবং বাম দিকে ছোবল মারলে কতটা মারাত্মক হতে পারে।আমরা আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও নিরাপত্তার জন্য প্রার্থনা করি।প্রকৃত অর্থে যে ব্যক্তি এই ধারণাকে অন্তরে রাখবে সে যাকাত প্রদান থেকে বিরত থাকবে না। তবে বাস্তবে মুসলমানের উচিত আনুগত্যের কাজ এই করারণে করা যে, সে তার রবকে ভালোবাসে এবং তার অনুগ্রহ ও পুরস্কারের আশা করে এবং তার শাস্তিকে ভয় করে। তবে যে ব্যক্তিকে আল্লাহর মহব্বত ও সওয়াবের আশায় সৎকাজ করার জন্য প্ররোচিত করা যায় না, তাহলে এই প্রতিশ্রুতিগুলো তাকে অবহেলা থেকে বিরত রাখবে! যাকাত প্রদানকারী ব্যক্তি যখন এই শাস্তির কথা কল্পনা করবে, তখন তার দৃঢ়তা ও দান করার আগ্রহ আরও বেড়ে যাবে।

 

একজন

মুমিনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো সে সত্য কথা বলে, সোশ্যাল মিডিয়া মানুষের কথা ও লেখা পৃথিবীর কোণায় কোণায় পৌঁছে দেওয়া সহজ করে দিয়েছে! এটি এমন একটি বিষয় যা একজন মুসলমানকে মিথ্যা বলা থেকে বিরত রাখে।

 

হাদীসে সেই ব্যক্তির শাস্তির কথা উল্লেখ আছে, যে ব্যক্তি মিথ্যা বলে এবং এই মিথ্যা দূর-দূরান্তে ছড়িয়ে যাবে! স্বপ্নের হাদীসে উল্লেখ আছে যে: আমরা চললাম, এরপর আমরা চিৎ হয়ে শোয়া এক লোকের কাছে আসলাম। এখানেও দেখলাম, তার নিকট এক লোক লোহার অাঁকড়া নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আর সে তার চেহারার একদিকে এসে এটা দ্বারা মুখমন্ডলের একদিক মাথার পিছনের দিক পর্যন্ত এবং অনুরূপভাবে নাসারন্ধ্র,চোখ ও মাথার পিছন দিক পর্যন্ত চিরে ফেলছে। আওফ (রহ.) বলেন, আবূ রাজা (রহ.) কোন কোন সময় ‘ইয়ুশারশিরু’ শব্দের পরিবর্তে ‘ইয়াশুক্কু’ শব্দ বলতেন। এরপর ঐ লোকটি শায়িত লোকটির অপরদিকে যায় এবং প্রথম দিকের সঙ্গে যেমন আচরণ করেছে তেমনি আচরণই অপরদিকের সঙ্গেও করে। ঐ দিক হতে অবসর হতে না হতেই প্রথম দিকটি আগের মত ভাল হয়ে যায়। তারপর আবার প্রথমবারের মত আচরণ করে। তিনি বলেনঃ আমি বললাম, সুবহানাল্লাহ্! এরা কারা? তিনি বলেন....... সে হল ঐ ব্যক্তি, যে সকালে নিজ ঘর থেকে বের হয়ে এমন কোন মিথ্যা বলে যা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। (বুখারী)

 

মিথ্যাবাদী যদি মনে মনে এই ধারণা রাখে যে,

 

লোহার আঁকড়া নিয়ে তার চেহারার এটা দ্বারা মুখমন্ডলের একদিক মাথার পিছনের দিক পর্যন্ত এবং অনুরূপভাবে নাসারন্ধ্র,চোখ ও মাথার পিছন দিক পর্যন্ত চিরে ফেলা হবে, তাহলে সে তওবা করবে এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হবে। একজন সত্যিকারের মানুষ এই দৃশ্য মনে রাখলে, সত্য বলার চেতনা তার মধ্যে আরও বাড়বে!

 

এই দলীলগুলি মনে রাখলে পবিত্রতা ও পরেহজগারী বিকাশ লাভ করে, ব্যভিচারীর মধ্যে অনুশোচনার মনোভাব জাগে এবং পাপ মোচনকারী অনেক নেক আমল করার ইচ্ছা জাগে।

 

শেষ কথাঃ রহমানের বান্দারা! বোঝানোর বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করা উচিত যাতে এর প্রভাব মনের মধ্যে দীর্ঘকাল ধরে থাকে এবং চিন্তা করার সময় এর প্রভাব নতুন করে দেখা যায়!

 





حفظ بصيغة PDFنسخة ملائمة للطباعةأرسل إلى صديقتعليقات الزوارأضف تعليقكمتابعة التعليقات

شارك وانشر

مقالات ذات صلة

  • خطبة: فاعبد الله مخلصا له الدين (باللغة البنغالية)
  • خطبة: لا تغتابوا المسلمين (باللغة البنغالية)
  • "لا تكونوا عون الشيطان على أخيكم".. فوائد وتأملات (خطبة) - باللغة البنغالية
  • من عمل صالحا فلنفسه (خطبة) - باللغة البنغالية
  • خطبة: {وأنيبوا إلى ربكم} (باللغة البنغالية)
  • خطبة: احتساب الثواب والتقرب لله عز وجل (باللغة البنغالية)
  • خطبة: استشعار التعبد وحضور القلب (باللغة البنغالية)

مختارات من الشبكة

  • النهي عن جعل اليمين سببًا لترك خير أو فعل طاعة(مقالة - آفاق الشريعة)
  • التعبد بترك الحرام واستبشاعه (باللغة الأردية)(مقالة - آفاق الشريعة)
  • التعبد بترك الحرام واستبشاعه(مقالة - آفاق الشريعة)
  • نستقبل رمضان بترك الشحناء والبغضاء (خطبة)(مقالة - آفاق الشريعة)
  • نصيحة لمن اتخذت صديقا وحزنت تركه لها(مقالة - آفاق الشريعة)
  • بين الاجتهاد الشخصي والتقليد المشروع: رد على شبهة «التعبد بما استقر في القلب»(مقالة - آفاق الشريعة)
  • تحريم جعل الله عرضة للأيمان(مقالة - آفاق الشريعة)
  • التوازن في الأكل في السنة النبوية(مقالة - موقع د. عبدالعزيز بن سعد الدغيثر)
  • خطبة: عبودية الترك(مقالة - آفاق الشريعة)
  • خطبة: استشعار التعبد وحضور القلب (باللغة النيبالية)(مقالة - آفاق الشريعة)

 



أضف تعليقك:
الاسم  
البريد الإلكتروني (لن يتم عرضه للزوار)
الدولة
عنوان التعليق
نص التعليق

رجاء، اكتب كلمة : تعليق في المربع التالي

مرحباً بالضيف
الألوكة تقترب منك أكثر!
سجل الآن في شبكة الألوكة للتمتع بخدمات مميزة.
*

*

نسيت كلمة المرور؟
 
تعرّف أكثر على مزايا العضوية وتذكر أن جميع خدماتنا المميزة مجانية! سجل الآن.
شارك معنا
في نشر مشاركتك
في نشر الألوكة
سجل بريدك
  • بنر
  • بنر
  • بنر
كُتَّاب الألوكة
  • طلاب القرم يتعلمون قيم الرحمة عبر حملة خيرية تعليمية
  • تعرف على مسجد فخر المسلمين في شالي أكبر مسجد في أوروبا
  • مسلمو تايلر يفتحون أبواب مسجدهم لتعريف الناس بالإسلام في رمضان
  • مبادرة رمضانية لمسلمين تقدم علاجا وغذاء مجانيا في سان خوسيه
  • انطلاق مسابقة تعليم وإتقان الأذان للفتيان في تتارستان
  • بعد 30 عاما دون ترميم مسجد أرسك المركزي يعود بحلة حديثة في رمضان
  • انطلاق الأعمال التمهيدية لبناء مركز إسلامي رئيسي في كاستيلون
  • مسجد العتيق: معلم إسلامي تاريخي في البوسنة يستعيد دوره الديني

  • بنر
  • بنر
  • بنر
  • بنر
  • بنر

تابعونا على
 
حقوق النشر محفوظة © 1447هـ / 2026م لموقع الألوكة
آخر تحديث للشبكة بتاريخ : 21/9/1447هـ - الساعة: 15:2
أضف محرك بحث الألوكة إلى متصفح الويب