• الصفحة الرئيسيةخريطة الموقعRSS
  • الصفحة الرئيسية
  • سجل الزوار
  • وثيقة الموقع
  • اتصل بنا
English Alukah شبكة الألوكة شبكة إسلامية وفكرية وثقافية شاملة تحت إشراف الدكتور سعد بن عبد الله الحميد
الدكتور سعد بن عبد الله الحميد  إشراف  الدكتور خالد بن عبد الرحمن الجريسي
  • الصفحة الرئيسية
  • موقع آفاق الشريعة
  • موقع ثقافة ومعرفة
  • موقع مجتمع وإصلاح
  • موقع حضارة الكلمة
  • موقع الاستشارات
  • موقع المسلمون في العالم
  • موقع المواقع الشخصية
  • موقع مكتبة الألوكة
  • موقع المكتبة الناطقة
  • موقع الإصدارات والمسابقات
  • موقع المترجمات
 كل الأقسام | مقالات شرعية   دراسات شرعية   نوازل وشبهات   منبر الجمعة   روافد   من ثمرات المواقع  
اضغط على زر آخر الإضافات لغلق أو فتح النافذة اضغط على زر آخر الإضافات لغلق أو فتح النافذة
  •  
    رسالات القرآن للقلوب
    سعيد بن محمد آل ثابت
  •  
    {والله جعل لكم من بيوتكم سكنا} (خطبة)
    د. محمد بن عبدالله بن إبراهيم السحيم
  •  
    فضل الصديقية
    إبراهيم الدميجي
  •  
    الخلال النبوية (31) {يأمرهم بالمعروف وينهاهم عن ...
    الشيخ د. إبراهيم بن محمد الحقيل
  •  
    أصل الداء وسبيل الشفاء: أزمة الأمة بين الانحراف ...
    د. علي شومان محمد علي أبو دية
  •  
    ونخوفهم فما يزيدهم إلا طغيانا كبيرا (خطبة)
    د. هيثم بن عبدالمنعم بن الغريب صقر
  •  
    حديث: يا رسول الله، إن ابني هذا كان في بطني له ...
    الشيخ عبدالقادر شيبة الحمد
  •  
    تفسير قوله تعالى: {حرمت عليكم أمهاتكم وبناتكم ...
    سعيد مصطفى دياب
  •  
    فماذا بعد الحق إلا الضلال: خطاب عقلاني للرد على ...
    الشيخ عبدالله محمد الطوالة
  •  
    الكتاب والسنة لا يفترقان
    محمد بن عبدالله العبدلي
  •  
    هلك المتنطعون (خطبة)
    د. محمود بن أحمد الدوسري
  •  
    هل أحببت الله حقا؟
    د. أمير بن محمد المدري
  •  
    باب في فضل هذه الأمة
    د. خالد النجار
  •  
    بيان أقسام السنة إلى قولية وفعلية وتقريرية
    الشيخ أ. د. عرفة بن طنطاوي
  •  
    تفسير سورة آل عمران الآيات (9 -10)
    يوسف بن عبدالعزيز بن عبدالرحمن السيف
  •  
    اختيار الجليس الصالح
    الشيخ محمد بن عبدالله السبيل
شبكة الألوكة / آفاق الشريعة / منبر الجمعة / الخطب / خطب بلغات أجنبية
علامة باركود

خطبة: (تجري بهم أعمالهم) - باللغة البنغالية

خطبة: (تجري بهم أعمالهم) - باللغة البنغالية
حسام بن عبدالعزيز الجبرين

مقالات متعلقة

تاريخ الإضافة: 2/2/2025 ميلادي - 5/8/1446 هجري

الزيارات: 3835

حفظ بصيغة PDFنسخة ملائمة للطباعةأرسل إلى صديقتعليقات الزوارأضف تعليقكمتابعة التعليقات
النص الكامل  تكبير الخط الحجم الأصلي تصغير الخط
شارك وانشر

موضوع الخطبة: تجري بهم أعمالهم

খুতবার বিষয়ঃ তাদের নিজ আম ল তাদেরকে দৌড়ে নিয়ে যাবে


প্রথম খুৎবা

الحمد لله هدى النَّجدَين، وكلَّف الثقلين، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، أرسل رسله مبشرين ومنذرين، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله خاتم النبيين، والشفيع المشَفَّع يوم الدين، صلى الله عليه وعلى آله وصحبه أجمعين.


হামদ ও সালাতের পর!

হে মুসলিমগণ, আমি তোমাদেরকে এবং আমাকে আল্লাহকে ভয় করার উপদেশ দিচ্ছি, তাকওয়া এমন এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়-আল্লাহ তাআলা যার নির্দেশ-উপদেশ পূর্বের ও পরের সকল জাতিকেই দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা বলেনঃ

আমি তোমাকে এবং নিজেকে ওসিয়ত করছি যে, আল্লাহকে ভয় কর, তার আনুগত্য কর, হারাম পরিত্যাগ কর, বারবার ক্ষমা প্রার্থনা কর এবং নতুন করে তাওবা কর। আর যে ব্যক্তি নাফরমানি করে এবং নফসের প্রবৃত্তির অনুসরণ করে, সে ব্যর্থ ও ধ্বংস হয়ে গেল।

﴿ فَإِذَا جَاءَتِ الطَّامَّةُ الْكُبْرَى * يَوْمَ يَتَذَكَّرُ الْإِنْسَانُ مَا سَعَى * وَبُرِّزَتِ الْجَحِيمُ لِمَنْ يَرَى * فَأَمَّا مَنْ طَغَى * وَآثَرَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا * فَإِنَّ الْجَحِيمَ هِيَ الْمَأْوَى * وَأَمَّا مَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِ وَنَهَى النَّفْسَ عَنِ الْهَوَى * فَإِنَّ الْجَنَّةَ هِيَ الْمَأْوَى ﴾ [النازعات: 34 – 41].

 

অর্থঃ (অতঃপর যখন মহাসংকট উপস্থিত হবে, মানুষ যা করেছে তা সেদিন স্মরণ করবে, আর প্রকাশ করা হবে দর্শকদের জন্য, সুতরাং যে সীমা লঙ্ঘন করে, এবং দুনিয়ার জীবনকে অগ্রাধিকার দেয়, জাহান্নামই হবে তার আবাস। আর যে তার রবের অবস্থানকে ভয় করে এবং কুপ্রবৃত্তি হতে নিজকে বিরত রাখে, জান্নাতই হবে তার আবাস)।

 

পরম করুণাময় আল্লাহর বান্দাগণ! আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, অগণিত নিয়ামত দান করেছেন। তাঁর অনুগ্রহ ও করুণা এই যে,তিনি তাদেরকে তাঁর ইবাদত করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং তাদের আনুগত্যের জন্য মহান পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এটা তাঁর বান্দাদের প্রতি তাঁর করুণা যে তিনি তাদের শাস্তির বাণী শুনিয়ে সতর্ক করেছেন যাতে তারা অকল্যাণ ও ধ্বংসের পথ এড়িয়ে চলে। তার গুণাবলীর মধ্যে একটি হল তার রহমত তার ক্রোধের আগে, তাই যে তার কাছে ক্ষমা চায়, তিনি তাকে ক্ষমা করেন এবং যে তার কাছে হেদায়েত চায়, তিনি তাকে হেদায়েত দান করেন। আল্লাহ তাঁর রসূলদেরকে সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবে পাঠিয়েছেন। তাঁরা লোকদের কাছে পরিষ্কার করে দিয়েছেন কোনটা ভালো আর কোনটা মন্দ। এবং তাদের বলে দিয়েছেন যে, তাদের হিসাব লিপিবদ্ধ করা হবে এবং তারা তাদের জন্য পুরস্কৃত হবে। এই দুনিয়া হল কর্মের স্থান, এখানে কোন হিসাব নেই এবং আখেরাত হবে হিসাবের স্থান, সেখানে কর্মের কোন অবকাশ নেই।

 

হাদীস কুদুসীতে আল্লাহ তা‘আলা বলেনঃ (হে আমার বান্দারা! আমি তোমাদের কর্মসমূহ তোমাদের জন্য গুণে রাখছি। অতঃপর আমি তোমাদেরকে তার পূর্ণ বিনিময় দেব। সুতরাং যে কল্যাণ পাবে, সে আল্লাহর প্রশংসা করুক। আর যে ব্যক্তি অন্য কিছু (অর্থাৎ অকল্যাণ) পাবে, সে যেন নিজেকেই তিরস্কার করে)। (মুসলিম)

 

আল্লাহ শুধু বান্দার আমল দেখেন। যেমন হাদীসে এসেছেঃ (নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের দেহ ও আকার-আকৃতি দেখেন না, বরং তিনি তোমাদের অন্তর ও আমল দেখেন)। (মুসলিম)।

 

অসংখ্য জায়গায় আল্লাহ তাঁর প্রতি ঈমান আনার সাথে নেক আমল করার কথা একসঙ্গে উল্লেখ করেছেন। একইভাবে পাপ ও সীমালঙ্ঘন দুনিয়াতে শাস্তির কারণ এবং বারযাখ ও কিয়ামতের দিন শাস্তির কারণ। তাই আমরা প্রতিটি নামাজে কবরের আযাব ও জাহান্নামের আযাব থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাই!

 

বিশ্বস্ত ভাইয়েরা! আসুন আমরা এমন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করি যা দেখাবে যে পরকালের বিভিন্ন পর্যায়ে এবং দৃশ্যে কর্মের সাথে আমাদের সংযোগ এবং শৃঙ্খলা কেমন থাকবে। আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন এই বিষয়টি বক্তা ও শ্রোতা উভয়ের জন্য লাভদায়ক হয়। এটা সম্ভব যে আমরা কল্যাণের কাছাকাছি হব এবং নিজেদেরকে পাপ ও পাপ থেকে দূরে রাখব।

 

হে ভাইয়েরা! কবর হলো আখেরাতের প্রথম গন্তব্য।মানুষ মারা গেলে তার পরিবার-পরিজন, ধন-সম্পদ ও আমল তার পেছনে থাকে কিন্তু সবাই একই দুনিয়ায় থাকে এবং কবরে শুধু তার আমল যায়। হাদিসটি দেখুনঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, "তারপর একজন সুন্দর চেহারার লোক ভাল কাপড়-চোপড় পরে সুগন্ধি লাগিয়ে তার কাছে আসবে। তাকে বলবে, তোমার জন্য শুভ সংবাদ, যা তোমাকে খুশী করবে। এটা সেদিন, যেদিনের ওয়া‘দা তোমাকে দেয়া হয়েছিল। সে ব্যক্তি বলবে, তুমি কে? তোমার চেহারার মতো লোক কল্যাণ নিয়েই আসে। তখন সে ব্যক্তি বলবে, আমি তোমার নেক ‘আমল"। (আহমাদ, আবু দাউদ, নাসাঈ, আলবানী এটিকে সহীহ বলেছেন)।

 

সেই হাদীসে এটাও রয়েছে যে, "তারপর তার কাছে একটি কুৎসিত চেহারার লোক আসবে, তার পরনে থাকবে ময়লা, নোংরা কাপড়। তার থেকে দুর্গন্ধ আসতে থাকবে। এ কুৎসিত লোকটি (কবরে শায়িত লোকটিকে) বলতে থাকবে, তুমি একটি খারাপ খবরের সংবাদ শুনো যা তোমাকে চিন্তায় ও শোকে-দুঃখে কাতর করবে। আজ ওইদিন, যেদিনের ওয়া‘দা (দুনিয়ায়) তোমাকে করা হয়েছিল। সে জিজ্ঞেস করে, তুমি কে? তোমার চেহারা এত কুৎসিত যে, খারাপ ছাড়া কোন (ভাল) খবর নিয়ে আসতে পারে না। সে লোকটি বলবে, ‘‘আমি তোমার বদ ‘আমল’’।

 

পরম করুণাময়ের বান্দারা! যখন কেয়ামতের দিন প্রতিষ্ঠিত হবে, তখন আপনি অনেক দৃশ্য এবং উপলক্ষের মুখোমুখি হবেন যা আপনার কর্মের সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত এবং সম্পর্কিত হবে:

﴿ يَصْدُرُ النَّاسُ أَشْتَاتًا لِيُرَوْا أَعْمَالَهُمْ * فَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ * وَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَرَهُ ﴾ [الزلزلة: 6 – 8].

 

অনুবাদঃ (সেদিন মানুষ ভিন্ন ভিন্ন দলে বের হবে, যাতে তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম দেখান যায়, কেউ অণু পরিমাণ সৎকাজ করলে সে তা দেখবে । আর কেউ অণু পরিমাণ অসৎকাজ করলে সে তা দেখবে)।

 

আল্লাহর বান্দারা! কেয়ামতের যে দৃশ্যগুলো আমাদের আমলের সাথে সম্পর্ক রাখবে তার মধ্যে রয়েছে: সূর্য নিকটে আসবে এবং মানুষ তাদের কৃতকর্ম অনুযায়ী ঘামে নিমজ্জিত থাকবে। হাদীসে এসেছে, মিকদাদ ইবনুল আসওয়াদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, (কিয়ামাতের দিন সূর্যকে মানুষের সন্নিকটবর্তী করে দেয়া হবে। অবশেষে তা মানুষের এক মাইলের দূরত্বের মাঝে চলে আসবে। বর্ণনাকারী সুলায়ম ইবনু আমির (রহঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ আমি জানি না, "মীল" শব্দ দ্বারা কি বুঝানো হয়েছে, জমিনের দূরত্ব, না ঐ শলাকা যা চোখে সুরমা দেয়া কাজে ব্যবহৃত হয়। মানুষ তাদের আমাল অনুসারে ঘর্মের মাঝে ডুবে থাকবে। তাদের কারো ঘাম পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত হবে, কেউ হাঁটু পর্যন্ত ঘামের মধ্যে থাকবে, কেউ কোমর পর্যন্ত আর কারো মুখ পর্যন্ত ঘামে ডুবে থাকবে। বর্ণনাকারী বলেন, এ সময় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ মুখের প্রতি ইঙ্গিত করলেন) মুসলিম

 

আল্লাহর কিছু বান্দা থাকবে যারা আল্লাহর ছায়ায় থাকবে, আল্লাহ আমাকে এবং আপনাকে সেই সৌভাগ্যবানদের অন্তর্ভুক্ত করুন। আমাদের আমলের সাথে যুক্ত কেয়ামতের দৃশ্যে: হাশরের ময়দানে অন্ধকারের দৃশ্যও থাকবে, যখন প্রত্যেক বান্দাকে তার কর্ম অনুসারে আলো দেওয়া হবে। আল্লাহ বলেন:

﴿ يَوْمَ تَرَى الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ يَسْعَى نُورُهُمْ بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَبِأَيْمَانِهِمْ ﴾ [الحديد: 12].

 

অনুবাদঃ (সেদিন আপনি দেখবেন মুমিন নর-নারীদেরকে তাদের সামনে ও ডানে তাদের নূর ছুটতে থাকবে)।

 

ইবনু মাসউদ (রাঃ) বলেন, মানুষকে তাদের আমল অনুযায়ী নূর দেওয়া হবে, তাই কিছু লোকের নূর হবে খেজুর গাছের মত, আর কিছু মানুষের নূর হবে দাঁড়ানো মানুষের মত। তাদের মধ্যে সর্বনিম্ন। যে আলো পাবে, তার আলো হবে বুড়ো আঙুলের সমান। কখনও এটি নিবিয়ে যাবে এবং কখনও কখনও এটি আলোকিত হবে।

 

পরম করুণাময়ের বান্দারা! কেয়ামতের দিন পুল সিরাত হবে কাজের সাথে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্য, তাই এর মধ্য দিয়ে যাওয়ার গতি হবে আমল অনুসারে। সহীহ মুসলিমের হিদীসে এসেছেঃ (আমানাত ও আত্মীয়তার সম্পর্ক, পুল-সিরাতের ডানে-বামে এসে দাঁড়াবে। আর তোমাদের প্রথম দলটি এ সিরাতে, বিদ্যুৎ গতিতে পার হয়ে যাবে। সাহাবা বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনার জন্য আমার পিতা-মাতা উৎসর্গ হোক। আমাকে বলে দিন “বিদ্যুৎ গতির ন্যায়” কথাটির অর্থ কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আকাশের বিদ্যুৎ চমক কি কখনো দেখনি? চোখের পলকে এখান থেকে সেখানে চলে যায় আবার ফিরে আসে। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এর পরবর্তী দলগুলো যথাক্রমে বায়ুর বেগে, পাখির গতিতে, তারপর লম্বা দৌড়ের গতিতে পার হয়ে যাবে। প্রত্যেকেই তার আমাল হিসেবে তা অতিক্রম করবে)।

 

আল্লাহ আমাকে এবং আপনাকে কিতাব ও সুন্নাহ থেকে উপকৃত করুন, এর মধ্যে হেদায়েত ও প্রজ্ঞার যে বাণী রয়েছে সেগুলো থেকে উপকৃত করান, আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন, নিশ্চয় তিনি পরম ক্ষমাশীল।

 

বিশ্বস্ত ভাইয়েরা! আসুন আমরা এমন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করি যা দেখাবে যে পরকালের বিভিন্ন পর্যায়ে এবং দৃশ্যে কর্মের সাথে আমাদের সংযোগ এবং শৃঙ্খলা কেমন থাকবে। আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন এই বিষয়টি বক্তা ও শ্রোতা উভয়ের জন্য লাভদায়ক হয়। এটা সম্ভব যে আমরা কল্যাণের কাছাকাছি হব এবং নিজেদেরকে পাপ ও পাপ থেকে দূরে রাখব।

 

بارك الله لي ولكم في القرآن العظيم، ونفعني وإياكم بما فيه من الآيات والذكر الحكيم، أقول قولي هذا واستغفر الله لي ولكم من كل ذنب فاستغفروه، إنه كان للتوابين غفورا.

 

অর্থঃ আল্লাহ আমাকে এবং আপনাকে কিতাব ও সুন্নাহ থেকে উপকৃত করুন, এর মধ্যে হেদায়েত ও প্রজ্ঞার যে বাণী রয়েছে সেগুলো থেকে উপকৃত করান, আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন, নিশ্চয় তিনি পরম ক্ষমাশীল।

 

দ্বিতীয় খুতবা

الحمد لله القائل: ﴿ فَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ * وَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَرَهُ ﴾ [الزلزلة: 7، 8]، وصلى الله وسلم على نبيه وعبده وعلى آله وصحبه.

 

আমাদের জীবনের দিনরাত্রি হল বীজ বপনের দিন, ফসল কাটার সময় হবে পরকালে, এবং সেই দিনটি হবে একটি মহান দিন! সেদিন কিছু লোক ভয় ও আতঙ্ক থেকে মুক্ত থাকবে, ফেরেশতারা তাদের হাতে তুলে নেবে, সেই দিন কিছু লোক ভয়ে শ্বাসরোধ করবে, সেই দিনটি হবে একটি মহান দিন:

﴿ وَتَرَى كُلَّ أُمَّةٍ جَاثِيَةً كُلُّ أُمَّةٍ تُدْعَى إِلَى كِتَابِهَا الْيَوْمَ تُجْزَوْنَ مَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ ﴾ [الجاثية: 28].

 

অর্থঃ (আর আপনি প্রত্যেক জাতিকে দেখবেন ভয়ে নতজানু, প্ৰত্যেক জাতিকে তার কিতাবের প্রতি ডাকা হবে, (এবং বলা হবে) ‘আজ তোমাদেরকে তারই প্রতিফল দেয়া হবে যা তোমরা আমল করতে)।

 

"আর যে লোককে আমালে পিছনে সরিয়ে দিবে তার বংশ (মর্যাদা) তাকে অগ্রসর করে দিবে না"।

 

কেয়ামতের দিনের দৃশ্যগুলোর মধ্যে আমাদের আমলের সাথে সম্পর্কিত এই দৃশ্যটি থাকবে: জাহান্নামের উভয় পাশে কাঁটা থাকবে যা মানুষকে (তাদের খারাপ কাজ) অনুযায়ী টেনে নিয়ে যাবে। হাদীসে এসেছেঃ "আর জাহান্নামে বাঁকা লোহার বহু শলাকা থাকবে; সেগুলো হবে সা‘দান কাঁটার মতো। তোমরা কি সা‘দান কাঁটা দেখেছ? তারা বলবে, হাঁ, দেখেছি। তিনি বলবেন, সেগুলো দেখতে সা‘দান* কাঁটার মতোই। তবে সেগুলো কত বড় হবে তা একমাত্র আল্লাহ্ ছাড়া আর কেউ জানে না। সে কাঁটা লোকের ‘আমাল অনুযায়ী তাদের তড়িৎ গতিতে ধরবে। তাদের কিছু লোক ধ্বংস হবে ‘আমালের কারণে। আর কারোর পায়ে যখম হবে, কিছু লোক কাঁটায় আক্রান্ত হবে, অতঃপর নাজাত পেয়ে যাবে"। বুখারী ও মুসলিম

 

আমলের সাথে সম্পর্কিত কেয়ামতের একটি দৃশ্য: হিসাব ও কিতাবের একটি দৃশ্যও থাকবে। হাদিসে আছে "তোমরা তোমাদের রবের সাথে সাক্ষাৎ করবে এবং তিনি তোমাদের কর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন"। বুখারী ও মুসলিম

 

কুরআনে এসেছেঃ

﴿ وَلَتُسْأَلُنَّ عَمَّا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ ﴾ [النحل: 93].

অর্থঃ (তোমাদেরকে অবশ্যই তোমাদের আমল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে)।

পরম করুণাময়ের বান্দারা! আমাদের আমল বরযাখ ও আখেরাতে আমাদের সাথে থাকবে। সূর্য যখন কাছে আসবে তখন মানুষ তাদের আমল অনুযায়ী ঘামতে থাকবে। হাশরের অন্ধকারে প্রত্যেক ব্যক্তি তার কর্ম অনুসারে আলোর বরকত পাবে। পুল সিরাত অতিক্রমের গতিও আমল অনুযায়ী হবে। পুল সিরাতের চারপাশে যে কাঁটা বসানো হবে তাও মানুষকে তাদের কর্ম অনুযায়ী টেনে নিয়ে যাবে। আর আল্লাহ তাঁর বান্দাদেরকে তাদের আমল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন।

 

শুধুমাত্র আল্লাহর রহমতের কারণেই একজন ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে, যা সহীহ হাদিসে উল্লেখ আছে। কিন্তু (মনে রাখতে হবে) নেক আমল আল্লাহর রহমত লাভের মাধ্যম এবং বেহেশতের উচ্চতার কারণ। শেষ কথা: এটা আপনার জ্ঞান থেকে গোপন নয় যে কর্মের মধ্যে অন্তরের কর্ম, জিহ্বার কর্ম (কথা) এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কর্ম অন্তর্ভুক্ত।

 

আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদেরকে ভালো কাজ করার তৌফিক দেন এবং খারাপ কাজ থেকে রক্ষা করেন।

 





حفظ بصيغة PDFنسخة ملائمة للطباعةأرسل إلى صديقتعليقات الزوارأضف تعليقكمتابعة التعليقات

شارك وانشر

مقالات ذات صلة

  • خطبة: صفة الصلاة (1) أخطاء محرمة (باللغة البنغالية)
  • خطبة: صفة الصلاة (2) سنن قولية (باللغة البنغالية)
  • خطبة: صفة الصلاة (3) سنن فعلية (باللغة البنغالية)
  • من مشكاة النبوة (3) ذو العقيصتين (خطبة)- باللغة البنغالية
  • من مشكاة النبوة (5) "يا أم خالد هذا سنا" (خطبة) - باللغة البنغالية
  • شؤم الذنوب (خطبة) - باللغة البنغالية
  • خطبة: صلاة بأعظم إمامين (باللغة البنغالية)

مختارات من الشبكة

  • ونكتب ما قدموا وآثارهم (خطبة) - باللغة النيبالية(مقالة - آفاق الشريعة)
  • خطبة: لتسألن عن هذا النعيم يوم القيامة (نعم المآكل) - باللغة النيبالية(مقالة - آفاق الشريعة)
  • قسوة القلب (خطبة) (باللغة النيبالية)(مقالة - آفاق الشريعة)
  • فكأنما وتر أهله وماله (خطبة) - باللغة النيبالية(مقالة - آفاق الشريعة)
  • عظمة وكرم (خطبة) - باللغة النيبالية(مقالة - آفاق الشريعة)
  • خطبة: تأملات في بشرى ثلاث تمرات - (باللغة النيبالية)(مقالة - آفاق الشريعة)
  • ونكتب ما قدموا وآثارهم (خطبة) - باللغة الإندونيسية(مقالة - آفاق الشريعة)
  • خطبة: لتسألن عن هذا النعيم يوم القيامة (نعم المآكل) - باللغة الإندونيسية(مقالة - آفاق الشريعة)
  • قسوة القلب (خطبة) (باللغة الإندونيسية)(مقالة - آفاق الشريعة)
  • فكأنما وتر أهله وماله (خطبة) - باللغة الإندونيسية(مقالة - آفاق الشريعة)

 



أضف تعليقك:
الاسم  
البريد الإلكتروني (لن يتم عرضه للزوار)
الدولة
عنوان التعليق
نص التعليق

رجاء، اكتب كلمة : تعليق في المربع التالي

مرحباً بالضيف
الألوكة تقترب منك أكثر!
سجل الآن في شبكة الألوكة للتمتع بخدمات مميزة.
*

*

نسيت كلمة المرور؟
 
تعرّف أكثر على مزايا العضوية وتذكر أن جميع خدماتنا المميزة مجانية! سجل الآن.
شارك معنا
في نشر مشاركتك
في نشر الألوكة
سجل بريدك
  • بنر
  • بنر
كُتَّاب الألوكة
  • قرية روبينيتشي تتزين بمسجدها المرمم بعد 3 سنوات من البناء
  • صلاة الاستسقاء تجمع مساجد بريطانيا لمواجهة الجفاف
  • شباب البوسنة المسلمون يوظفون الذكاء الاصطناعي والمهارات الرقمية لخدمة المجتمع
  • افتتاح مسجد جديد في نيامي بتبرعات الجالية المسلمة في بلغاريا
  • مسلمون يقيمون مبادرة خيرية لتوزيع الحقائب والمستلزمات المدرسية في شيكاغو
  • "علماء الدين المسلمون: جيل جديد": برنامج علمي يجمع مشاركين من 17 منطقة روسية
  • أكثر من 100 شخص يتعرفون على الإسلام خلال يوم المسجد المفتوح في ميلفيل
  • اختتام منافسات قرآنية متميزة في بنغلاديش بمشاركة 3000 متسابق

  • بنر
  • بنر

تابعونا على
 
حقوق النشر محفوظة © 1448هـ / 2026م لموقع الألوكة
آخر تحديث للشبكة بتاريخ : 6/3/1448هـ - الساعة: 9:40
أضف محرك بحث الألوكة إلى متصفح الويب